বরিশালে বিসিসি’র উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে নারীর উপর হামলা থানায় অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০২৫, ২০:৪৭ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
নগরীর ৩ নং ওয়ার্ড ভাটিখানা জোর মসজিদ ঘাউয়াসার রোডে দীর্ঘদিন যাবত ভবন নির্মাণ সামগ্রী রাস্তার উপর রেখে ও রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ করে আসছিল সামিম খান।
১২,জুলাই রোজ সনিবার আনুমানিক দুপুর ১ টার দিকে ওই রোড থেকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান যাচ্ছিলেন এসময় রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ সামগ্রী বালু ও সিমেন্ট মিক্সচার করছিলেন কয়েকজন লেবার।
ছোট রাস্তা হওয়ায় ওইখান থেকে গাড়ি চলাচল ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছিল বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা জনাব মাহবুবুর রহমানের নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিক ওই কাজে বাধা দেন এবং ওইখান থেকে ওই মালামাল সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
কাজে বাধা দেওয়ায় শামীম খান গং সিটি কর্পোরেশনের ওই কর্মকর্তার উপর চড়াও হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে পরে সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তাকে জানাতে বাধ্য হন তিনি।
পরে সিটি কর্পোরেশনের লোকজন এসে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং অবৈধভাবে গড়ে তোলা ভবনের কিছু অংশ ভেঙে ফেলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
একই সময় ওই রাস্তা থেকে হেঁটে বাসার উদ্দেশ্য যাচ্ছিলেন মেঘলা বেগম তিনি তার জামাইয়ের সাথে ফোনে কথা বলছিলেন তারই সুবাদে একটু হাসি দিয়ে কথা বলায় ওই নারীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করে বসে সামিম খান ও তার পরিবার।
একজন নারীর গায়ে পর পুরুষ প্রকাশ্য দিবালোকে কিভাবে গায়ে হাত তুলতে পারে এ নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর মনে।
মেঘলা বেগম জানায় ওই রাস্তা থেকে হেঁটে যাচ্ছিলাম আমি হেঁটে যাওয়ার একপর্যায়ে আমি আমার স্বামীর সাথে ফোনে কথা বলে একটু হেসে ফেলি সেই হাসাকে কেন্দ্র করে আমার উপর শামীম খান ও তার পরিবার হামলা করে নিলা ফুলা জখম করে আমার স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় এ সময় ওইখানে উপস্থিত এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসে।
ওই নারী আরো জানায় আমি একা একটা মেয়ে মানুষ কিভাবে এতগুলো পুরুষ লোকের উপর আমি হামলা করব তারা আমার শ্লীলতা হানি করে উল্টো আমার উপর দোষ চাপাচ্ছে বলছে আমি নাকি তাদের উপর হামলা করেছি খোঁজ নিয়ে দেখেন এই এলাকায় এই শামীম গং দীর্ঘদিন যাবত আধিপত্য বিস্তার করে আসছে ও রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ সহ এলাকাবাসীকে হয়রানি করে আসছে।
এ বিষয়ে কেউ কোনো কথা বললে তার উপরে হামলা করে বসে এই শামীম গং ভয় কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলে না।
পরে এ বিষয়ে সংবাদকর্মীরা শামীম গং এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট আমাকে ফাঁসানোর জন্য এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে ওই নারী আরও উল্টো আমার উপর হামলা করে আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।
মারধরের এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মেঘলা বেগম বরিশাল কাউনিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং তিনি যেন সঠিক বিচার পেতে পারে সেই মর্মে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।