৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৭:৩০

রোজা রেখেও সীমান্তের দায়িত্বে অবিচল বিজিবি

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ২৪ সংবাদটি পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। এ সময় যখন দেশজুড়ে ধর্মীয় আবহে মানুষ ইবাদতে নিমগ্ন, ঠিক তখনই দেশের শেষ প্রান্তে অদৃশ্য এক প্রাচীরের সামনে নিরলস দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন সীমান্তরক্ষীরা। রোজা রেখেও এক মুহূর্তের জন্য শিথিল নয় তাদের সতর্কতা।

দেশের সীমান্তে টহলে নিয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা প্রখর রোদ, ধুলো আর দীর্ঘ পথচলার মধ্যেও পালন করছেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব। কাঁটাতারের এপারে সবুজ-লাল পতাকার ছায়ায় দাঁড়িয়ে তারা নিশ্চিত করছেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা।

সীমান্ত শুধু ভৌগোলিক রেখা নয়- এটি একটি রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। সামান্য অসতর্কতা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই রোজার তৃষ্ণা ও ক্লান্তি উপেক্ষা করেই টহল অব্যাহত রাখছেন বিজিবি সদস্যরা।

লালমনিরহাটের আদিতমারীর দুর্গাপুর ক্যাম্পের কমান্ডার, ১৫ বিজিবির নায়েক সুবেদার মো. আকরামুজ্জামান বলেন, ‘দেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব, আর রোজা আমাদের ঈমান। এই দুটিই আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। রোজা রেখে দায়িত্ব পালন করাটাই আমাদের জন্য গর্বের।’

এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, ‘রমজান আমাদের আত্মসংযম ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়। সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত আমাদের সদস্যরা সেই শিক্ষাকে ধারণ করেই দায়িত্ব পালন করছে। যে কোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত।’

সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়লে সীমান্ত পোস্টে শুরু হয় ইফতারের প্রস্তুতি। পরিবারের সঙ্গে টেবিলে বসে নয়- ডিউটির ফাঁকে কয়েক মিনিটের বিরতিতেই খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার সারেন তারা। আজানের ধ্বনি কানে পৌঁছাতেই নীরবে দোয়া শেষে আবার অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ফিরে যান দায়িত্বে। রাত গভীর হলেও থামে না টহল। নিস্তব্ধ অন্ধকারে সীমান্তজুড়ে চলতে থাকে সতর্ক পদচারণা। পরিবার থেকে বহু দূরে থেকেও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিচল রয়েছেন এই সদস্যরা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo