উত্তর:সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা,সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও মহৎ সম্মানজনক পেশা।দেশ ও জাতির বিষয়ে জানতে সংবাদ কর্মীদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে।বিশেষ করে“কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক,ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যান।শুধুমাত্র মানুষের সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে মানবতার কল্যাণে সাংবাদিকরা কাজ করছেন।পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না,ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা,মামলা করা হয়, এমনকি সাংবাদিককে হত্যার শিকার হতে হয়।আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলাহয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন,কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়,পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন?কেউ কি খবর নিয়েছেন যে,সাংবাদিকরা কেমন আছেন?কোনো সহ যোগিতা লাগবে কি না?অধিকাংশ সাংবাদিকরাই আজকাল মানবতার জীবনযাপন করছেন।জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন,এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন?নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক,হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই,যার কোনো হিসাব নেই?।বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায়১৮কোটি জনগণ,সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম।ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।”পুলিশ,সাংবাদিক, আইনজীবি ও জন প্রতিধিগণ”এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো“কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক”।বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপির বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা জরুরি-যেমনঃ-সংবাদের সংগ্রহের মুল বিষয় বস্তু কি?মানুষ এবং প্রকৃতি,মানুষের আশা-আকাঙ্খা,আনন্দ, বেদনা,সুখ-দুঃখ,সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য।এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের মুল বিষয় বস্তু।যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়,আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়।নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা,অন্যায় অবিচার,যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে,এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।সাংবাদিকদের সব জায়গায় তথ্য জানার অধিকার আছে,তবে কারোসাথে বিবাদ বা শক্রতা করে সাংবাদিক তায় সাফল্য আসতে পারে না।সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে,এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজহবে এটা আমার বিশ্বাস।সিনিয়ররা সাংবাদিকরা জুনিয়রদের হেল্প করবেন সহযোগিতা করবেন।বেশির ভাগই সিনিয়র সাংবাদিকরা জুনিয়রদের পিছনে লেগে থাকে।সাংবাদিক সাংবাদিক যদি একের অপরের পিছনে যদি লেগে থাকি তাহলে আমাদের সাংবাদিকদের অনেক ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হতে হবে।আমরা সকল গণমাধ্যম কর্মীরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি তাহলে আমাদের কে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।আসুন একে অপরের সহ যোগিতা করি আমরা সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলি।