ময়মনসিংহের নান্দাইলে দীর্ঘদিন ধরে চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ সিংদই গ্রামবাসি থানায় অভিযোগ দিয়েও পাচ্ছে না সঠিক বিচার।ঘটনাটি উপজেলার ৯ নং আগারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই গ্রাম,খালপাড় বাজার ও আশপাশের গ্রামে।সরজমিন খালপাড় বাজার গেলে সিংদই গ্রামের মৃত আঃমন্নাছের পুত্র ফার্নিচার ব্যবসায়ী থানায় অভিযোগকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০)ও একই গ্রামের নূরু মিয়ার পুত্র কাউসার(২২),সাদেক,মামুন সহ শতলোকজন ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান,একই গ্রামের মৃত আঃ রশিদের পুত্র সুমন(৩০)চোরের উপদ্রবে দীর্ঘদিন ধরে অতিষ্ঠ গ্রাম বাসি ও খালপাড় বাজারের ব্যবসায়ীরা।সুমন চোর স্হানীয় বাজারের একটি গ্যারেজ থেকে রতনের ৫ টি অটোরিকশার ব্যাটারি,মোতালেবের বাইসাইকেল নকিয়া মোবাইল সেট এমনকি শবেবরাতের রাতে মসজিদের মাইকের ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়।কয়েকটি জায়গায় চুরি করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়ে। গত কিছুদিন পুর্বে রফিকুলের বসত ঘরের টিন কেটে চুরি করতে গেলে শব্দে রফিকুলে স্ত্রী আঞ্জুরা ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখে ঘরে লাইট জ্বলছে দরজা খোলা সুমন চোর ও তার মা সুফিয়া খাতুন তরিঘরি করে বিভিন্ন জিনিসপত্রের পুঁটলি হাতে দেখে চিৎকার করলে দ্রুত তারা পালিয়ে যায়, পরে দেখি ঘরের অনেক জিনিসই এলোমেলো পরে আছে, ঘরে থাকা ট্রাংক খুলা এবং ট্রাংকে থাকা নগদ চল্লিশ হাজার টাকা,দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও দুই ভরি রোপার অলং কার যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা।সুমন চোরের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করলে ও নান্দাইল মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ক্ষিপ্ত হয়ে স্হানীয় প্রভাবশালী নেতা মৃত আবুল কালামের ছেলে আলমগীর ( ৪৫)সজিব মিয়া (২২)মৃত আঃ রশিদের পুত্র জুলহাস সুমন চোরের পক্ষ নিয়ে রফিকুলের পরিবারের উপর ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে মারপিট করে এক পর্যায়ে রফিকুলের মেয়ে মনি আক্তার (১৪) কে টেনে হেঁচড়ে এলোপাথাড়ি মারধর করলে গুরুতর আহত হয় । থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর ও ভুক্তভোগী এলাকা বাসী সঠিক বিচার পাচ্ছে না।এলাকাবাসী জানায় সুমন ও তার মা সুফিয়া খাতুন(৫৫) একজন পেশাদার চোর ও বিভিন্ন বাড়িতে চুরি করার সময় অজ্ঞান করার ওষুধ দিয়ে চুরি করে।এব্যাপারে নান্দাইল মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন একটি লিখিত অভিযোগ রয়েছে আমরা তৎপর রয়েছি তাকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই ধরা হবে।এলাকাবাসী চোরের বিচারের দাবিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা ও সঠিক বিচার দাবি করেছেন।