তানোরে চাঞ্চল্যকর জিয়ারুল হত্যার পাঁচ জন আটক

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪, ২০:৩৪ অপরাহ্ণ
তানোরে চাঞ্চল্যকর জিয়ারুল হত্যার পাঁচ জন আটক

সুজন তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

র‍্যাব-৫গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে জিয়ারুলরুল হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।রাজশাহীর তানোরে চাঞ্চল্যকর যুবলীগ নেত হত্যাকান্ডের ঘটনায় এজাহার ভূক্ত ০৫ আসামীকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব-৫।র‍্যাব-৫,রাজশাহীর সদর কোম্পানী একটি বিশেষ অভিযানের প্রফতার করতে সক্ষম হয়,আজ বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী রাজশাহীর তানোরের চাঞ্চল্যকর“পরকীয়া ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ কর্মী নিহত হয় এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী(১)মোঃ হাকিম বাবু(৩৪),পিতা-মোঃ হাবিবুর,আসামী(২)মোঃ সুফিয়ান (৩৬),পিতা- মোঃ সাইদুল,উভয় সাং-লালপুর,থানা-তানোর,জেলা-রাজশাহী এজাহারনামীয় ১২নং আসামীদেরকে ডিএমপির মিরপুর মডেল থানাএলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।অপর দিকে র‍্যাব-৫,রাজশাহীর সদর কোম্পানীর আরেকটি বিশেষ আভিযান পরিচালনা করে ২৯ফেব্রুয়ারী রাত্রী- ১ টা মামলার মূলহোতা এবং এজাহার ভূক্ত ১নং আসামি মোঃ আবুল হাসান মেম্বার(৪২),পিতা-মোঃহাবিবুর,সাং লালপুর, থানা-তানোর,জেলা-রাজশাহী ৪নং মোঃশাহীন(২৫),পিতা- মোঃ হাবিবুর রহমান,এবং ৫নং মোঃ রাশেল(৩০),পিতা- মৃত লুৎফর,উভয় সাং-বিলশহর, তানোর,জেলা রাজশাহী এদেরকে র‍্যাব-৫,কক্সবাজার জেলার সদর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।স্থানীয়সূত্রে ওআসামীদের জবানবন্দিতে জানা যায় যে,রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তালন্দ ইউপির বিলশহর গ্রামের সুমি খাতুনকে বেশ কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মামলার ১নং আসামী হাসান মেম্বার।এরআগে থেকেই সুমি খাতুনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জিয়াউল ইসলামের।বিষয়টি হাসান মেম্বার বুঝতে পেরে জিয়ারুলকে সতর্ক করে।পরে ডিপ টিউবওয়েলের অপারেটর নিয়োগ নিয়ে উভয়ের মধ্যে শত্রুতা বেড়ে যায় এছাড়াও হাসান মেম্বারের সার বিষের দোকানে আগুন দেয় কে-বা কারা।এ নিয়ে মামলাও করে হাসান মেম্বার।এসকল ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২১শে ফেব্রুয়ারী রাতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ফেরার পথে জিয়াউলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।এরই প্রেক্ষিতে নিহত ভিকটিমের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে রাজশাহীর তানোর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন।যার মামলা নং-২৫ /৪৯,তারিখ-২২/০২/২০২৪ খ্রিঃ।ধারা-৩৪১/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০।তবে এ ব্যাপারে তানোর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা বলেন শুনেছি থানায় আসামি এখনো পৌঁছাইনি।