কাঞ্চন পার্ক সংলগ্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
কাঞ্চন পার্ক সংলগ্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

 

বরিশাল নগরীর কালীবাড়ী রোডস্থ কাঞ্চন পার্ক সংলগ্ন একটি জমি সিটি করপোরেশনের—এমন দাবি করে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করারও অভিযোগ করেছেন জমির মালিকপক্ষ।

মালিকপক্ষের দাবি, বগুড়া আলেকান্দা মৌজার জেএল নং-৫০-এর এসএ ১৪৭ নং খতিয়ানের ২৫২৪ দাগের ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ জমির মূল মালিক ছিলেন অবনী মোহন, অজিত কুমার ও অসিত কুমার। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ১৯ এপ্রিলের সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে বেগম আশরাফুন্নেছা গং ওই জমির মালিকানা লাভ করেন বলে তারা জানান।

তাদের দাবি, পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারির ২৮২ ও ২৮৩ নং সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে মো. মাহাফুজুর রহমান গং ওই ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ জমির মালিক হন।

মালিকপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাহাফুজুর রহমানের অংশ থেকে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ১২১২০ নং সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে কহিনুর বেগম গং ১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ২৫০১ নং সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে মো. আব্দুর রাজ্জাক ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ ২৭৬৮ নং সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে কহিনুর বেগম গং ও আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে মোট ২ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মো. আমীর হোসেন।

মো. আমীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “সাংবাদিক ভাই-বোন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে যাচাই-বাছাই না করে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে আমি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, জমিটির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে জমিটি নিয়ে সিটি করপোরেশনের মালিকানা বা অন্য কোনো পক্ষের দাবি থাকলে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও বক্তব্যের ভিত্তিতে তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।