৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬:০৩
শিরোনামঃ
৯০০ টাকার জন্য যুবকের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ কলাপাড়ায় বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় স্ত্রী-সন্তান জুয়ার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, শিক্ষকসহ সাইবার মামলায় গ্রেপ্তার ২ সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশালের ডিআইজিকে, নতুন দায়িত্বে মোস্তাফিজুর রহমান দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ বরিশালে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম নাব্য সংকটে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট, ঈদের আগে ভোগান্তি বাড়ার শঙ্কা বরিশালে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর স্থগিত পাথরঘাটার সুজন হত্যা মামলায় র‍্যাব-৮’র অভিযানে ৪ আসামি গ্রেপ্তার

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৪ সংবাদটি পঠিত

অনলাইন ডেক্স

আজ শনিবার ১২ রবিউল আউয়াল। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। সারা বিশ্বের মুসলমানরা এই দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন তাওহিদের মহান বাণী নিয়ে।

তিনি প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব এবং ইসলামের শান্তির বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
সৌদি আরবের মক্কা নগরের বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।

তাঁর বাবা আবদুল্লাহ ও মা আমিনা। জন্মের আগেই রাসুল (সা.) তাঁর বাবাকে হারান এবং ছয় বছর বয়সে তিনি মাতৃহারা হন।
সমগ্র আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতা ও অনাচারের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, সেই আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সারা বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ। বিনয়, সহিষ্ণুতা, দয়া, সহমর্মিতাসহ সব মানবিক সদ্গুণের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটেছিল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মধ্যে।

শ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির অধিকারী হিসেবে তিনি ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়-নির্বিশেষে সর্বকালে সর্বজনস্বীকৃত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিনটি অতিবাহিত করবেন। অনেকে এই দিনে নফল রোজা রাখেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সবার মধ্যে অপার শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

বাণীতে তিনি বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম উম্মার ঐক্য আরো সুসংহত হোক। মহানবী (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ লালন ও অনুসরণের মাধ্যমে আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তি সুনিশ্চিত হোক, এই কামনা করি।’

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এক বাণীতে বলেন, ‘মহানবী (সা.) মানবতার মুক্তি, সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার যে মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আজও আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি শিখিয়েছেন, ন্যায়বিচার কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সমগ্র মানবজাতির মৌলিক অধিকার।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি বহু ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির দেশ। মহানবী (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় মদিনার সনদের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহনশীলতা সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাঁর এই শিক্ষা আমাদের জাতীয় জীবনে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের চর্চার মাধ্যমেই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo