১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৫:০৯
শিরোনামঃ
বরিশাল নগরীতে সাবেক কাউন্সিলের কার্যালয় জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আদালত চত্বরেই প্রকাশ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ম্যানেজারকে হত্যার হুমকি! মধ্যরাতে ছাড়বে তারেক রহমানের ফ্লাইট ভোলায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক ১ পিরোজপুরে সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে তরুণী খুন, গ্রেপ্তার ১ ভাণ্ডারিয়ায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ী খুন করে মালামাল চুরি, একজন গ্রেফতার বরিশালে মক্তবে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশু, ইমাম গ্রেফতার বরিশালে শরীরে কফিনের কাপড় জড়িয়ে সাংবাদিক ফিরোজের প্রতিবাদ বানারীপাড়ায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রেপ্তার ভাঙচুরের দেড় বছর পরও সংস্কার হয়নি বরিশালের বৃহত্তম বধ্যভূমি

পোড়ানো হলো শেখ মুজিব ও হাসিনাসংশ্লিষ্ট ৩ শতাধিক বই

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২ সংবাদটি পঠিত

বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসংশ্লিষ্ট তিন শতাধিক বই পুড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে বরগুনার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মূল ফটকের সামনে শিক্ষার্থীরা শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা জীবনী, গবেষণা ও রাজনৈতিক ইতিহাসভিত্তিক বইগুলো একত্র করে আগুন ধরিয়ে দেন।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে রাখা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসংশ্লিষ্ট তিন শতাধিক বই পুড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল ১১টায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মূল ফটকের সামনে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা জীবনী, গবেষণা ও রাজনৈতিক ইতিহাসভিত্তিক বইগুলো একত্র করে আগুন ধরিয়ে দেন।

এতে মুহূর্তের মধ্যে বইগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সারা দেশ থেকে শেখ মুজিবর রহমান, শেখ হাসিনাসহ স্বৈরাচারের সব স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলা হয়েছে। শিক্ষকরা আমাদের বলেছিলেন তারা আমাদের লাইব্রেরি থেকে তাদের সব বই ফেলে দিয়েছেন। আজ দেখলাম সেই বইগুলো এখনো বিদ্যমান রয়েছে।তাই ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি থেকে বই গুলো এনে পুড়িয়ে ফেলেছেন। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং লাইব্রেরিতে পাঠ্যবইয়ের সংকটের মধ্যেও রাজনৈতিক বই দিয়ে তাক ভরে রাখা হয়েছে। এসব বই তাদের কোনো কাজে আসে না।

এ বিষয়ে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিল চন্দ্র কির্তুনিয়া বলেন, ‘আমি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছি, বই অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলার বিষয়ে নির্দেশনা ছিল না।তবে সাবেক অধ্যক্ষ আমাকে জানিয়েছিলেন বইগুলো আলাদা করে বেঁধে লাইব্রেরির মধ্যে পরিত্যক্ত স্থানে রাখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের জানালে হয়তো কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সরিয়ে ফেলা যেত।

 

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo