২৬শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ১২:০১
শিরোনামঃ
ভুমিকম্পে কাঁপলো দেশ,দুই শিশুসহ নিহত ৬: আহত শতাধিক প্রশংসায় ভাসছেন বস্তাবন্ধি পাঁচটি বিড়াল ছানা ডাস্টবিন থেকে জীবিত উদ্ধার করে জমির বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্যেও ৪০টি পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ বিসিসি’র বিরুদ্ধে বরিশালে ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসাতে মরিয়া একটি মহল! হিন্দুদের পাশে বিএনপি ছিল এবং ভবিষতেও থাকবে : সরোয়ার বরিশালে জমি দখলের অভিযোগে আ’লীগ নেতাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলার শিকার ট্রাক ড্রাইভার সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত অর্থের বিনিময়ে আর কত নিয়োগ দিবেন উজিরপুর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরিশালে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও লাশ গুমের দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড

স্লুইসগেটের পানির স্রোতে বিদ্যুৎ তৈরি করে আলো ছড়াচ্ছেন মনিরুল

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৯ সংবাদটি পঠিত

বরগুনা সংবাদদাতা:
স্লুইসগেটের স্রোতের মুখে বসানো হয়েছে ওয়ার্কশপে তৈরি করা বিশেষ পদ্ধতির একটি ঘূর্ণনযন্ত্র। পানির চাপে ঘুরছে সেটি। আর সেই যন্ত্রের ঘূর্ণনগতি দিয়ে একটি চেইনের মাধ্যমে ঘোরানো হয় একটি মর্টার, যা দিয়ে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ-শক্তি। এই বিদ্যুৎ দিয়ে একসঙ্গে জ্বালানো হচ্ছে অর্ধশতাধিক বৈদ্যুতিক বাতি।

প্রকৃতির শক্তি কাজে লাগিয়ে কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন করছেন বরগুনা সদরের পুরাঘাটা গ্রামের জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম। তার এই উদ্ভাবনে খুশি গ্রামবাসী। স্থানীয়রা মনে করেন, এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারলে দেশের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পায়রা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত একটি স্লুইসগেটের সরু মুখে ওয়ার্কশপে তৈরি করা একটি বিশেষ টারবাইন বসিয়েছেন মনিরুল। রড অ্যাঙ্গেল ঝালাই করে বিয়ারিংয়ের সাহায্যে স্থাপন করা ওই টারবাইন জোয়ার-ভাটার সময় স্রোতের চাপে ঘুরতে থাকে। টারবাইনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের চেইনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে একটি শক্তিশালী জেনারেটরের মোটর। টারবাইনের ঘূর্ণন থেকে মোটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা দিয়ে অর্ধশতাধিক বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে।

উদ্ভাবক মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে একজন তেল ব্যবসায়ী। আমি জানি বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে আমাদের দেশের অনেক টাকা খরচ হয়। তাই আমি অনেক দিন গবেষণা করেছি, কীভাবে পানির স্রোত দিয়ে গ্রামে বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারি। প্রায় তিন মাস কাজ করে ৭০ হাজার টাকা খরচে আমি এটি তৈরি করতে সক্ষম হই। এই প্রকল্প দেশের প্রতিটি স্লুইসগেটে করা হলে ওই এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবে জনগণ।

তিনি জানান, নদীতে প্রতিদিন দুবার জোয়ার আসে, ফলে দিনে ১৫-১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে বিনা মূল্যে গ্রামের পর গ্রাম আলোকিত করা যাবে।

পুরাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুজ আহমেদ বলেন, মনির ভাই দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে পানি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছেন। সরকার তাঁকে সহায়তা করলে তিনি শুধু পুরাঘাটা নয়, সারা দেশ আলোকিত করতে পারবেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, মনিরুলের উদ্ভাবন মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হলে সরকার অবশ্যই তাঁর পাশে থাকবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo