৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬:০৩
শিরোনামঃ
৯০০ টাকার জন্য যুবকের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ কলাপাড়ায় বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় স্ত্রী-সন্তান জুয়ার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, শিক্ষকসহ সাইবার মামলায় গ্রেপ্তার ২ সরিয়ে দেওয়া হলো বরিশালের ডিআইজিকে, নতুন দায়িত্বে মোস্তাফিজুর রহমান দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ বরিশালে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম নাব্য সংকটে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট, ঈদের আগে ভোগান্তি বাড়ার শঙ্কা বরিশালে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর স্থগিত পাথরঘাটার সুজন হত্যা মামলায় র‍্যাব-৮’র অভিযানে ৪ আসামি গ্রেপ্তার

নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগে পবিপ্রবি অধ্যাপকের পদাবনতি

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ৪৬ সংবাদটি পঠিত

পটুয়াখালী সংবাদদাতা ॥

নারী শিক্ষার্থীকে মানসিক নিপীড়ন ও যৌন হেনস্তার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম আবদুল আহাদ বিশ্বাসকে তিন বছরের জন্য সহযোগী অধ্যাপক পদে পদাবনতি করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইকতিয়ার উদ্দিনের স্বাক্ষরিত ১৯ জুনের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

চাকরি সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ৫৫তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, পদাবনতির তিন বছর ড. আহাদ বিশ্বাস কোনো ক্লাস নিতে পারবেন না। পরীক্ষার দায়িত্ব, শিক্ষার্থীদের গবেষণার তত্ত্বাবধান কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকেও তাকে বিরত থাকতে হবে।

এছাড়া এ সময় কোনো অসৌজন্যমূলক আচরণ বা পূর্বের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি ঘটলে উপাচার্য তাকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরিচ্যুত করতে পারবেন। এ বিষয়ে তার আপিল করার সুযোগও রাখা হয়নি।

তবে তিন বছর পর নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি আগের পদ ও স্কেলে পশুবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, পদাবনতি এ সময়সীমা তার সক্রিয় চাকরিকাল হিসেবে গণ্য হবে না।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ড. আহাদ বিশ্বাসকে তাৎক্ষণিক সব শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় এবং সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

ভুক্তভোগী পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয়, ওই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে তাকে মানসিকভাবে নিপীড়ন করতেন, ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ ও অপমানজনক মন্তব্য করতেন এবং একাধিকবার যৌন হেনস্তার চেষ্টা করেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে।

এছাড়া ড. আহাদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নম্বর আটকে দেওয়া, পরীক্ষায় অনৈতিকভাবে নম্বর কেটে দেওয়া এবং টানা চার-পাঁচ ঘণ্টা ধরে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। গত বছরের ১৮ নভেম্বর ২০১৮-১৯ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ নিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ড. আহাদ বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo