৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৭:০২

বরিশালে কৃষক প্রশিক্ষণ

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ৬২ সংবাদটি পঠিত

রাইজিং ডেক্সঃ

বরিশালে নারিকেলের সাদামাছি দমন বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাবুগঞ্জের রহমতপুরে আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের হল রুমে এই প্রশিক্ষন হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) কীটতত্ত বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত।

বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরআইর কীটতত্ত বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কোহিনুর বেগম এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এটিএম হাসানুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. কফিল উদ্দিন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আনওয়ারুল মোনিম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম রাকিবুল হাসান ফেরদৌস, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাজি উদ্দিন, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, বাবুগঞ্জের কৃষক আল ইসলাম প্রমুখ।
বিএআরআইর কীটতত্ত বিভাগ এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে ৩০ (ত্রিশ) জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে নারিকেলে সাদামাছির আক্রমণ হলে কীভাবে দমন করতে হয়, সে বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে শেখানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, নারিকেল অর্থনিতৈক ফল ফসল। কিন্তু কিছু রোগ ও পোকার কারণে এর ফলন কমে যায়। এর মধ্যে সাদামাছি অন্যতম। তবে প্রথমিক অবস্থায় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পোকার আক্রমণ হতে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।

 

 

গুমের শিকার স্বজনদের ফিরে পেতে বরিশালে মানববন্ধন

গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেয়া, ভুক্তভোগীর পরিবারের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সরকারি পুনর্বাসনের দাবিতে বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নিখোঁজ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (৩১ মে) দুপুরে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ‘অধিকার বরিশালে’র উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গুমের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ দেশ থেকে গুম প্রথা বিলুপ্তির দাবি জানান বক্তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন নিখোঁজ ফিরোজ খান কালু ও মিরাজ খানের মা ফিরোজা বেগম, নিখোঁজ হায়দার আলীর স্ত্রী, অধিকার বরিশালের প্রতিনিধি আজিজ শাহিন ও দোলন দে।

বক্তারা বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে গুমের শিকার হওয়া অসংখ্য মানুষ এখনও বাড়ি ফেরেনি। তাদের পরিবারের স্বজনরা বছরের পর বছর অপেক্ষা শেষে এখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছে না। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অসংখ্য পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবিলম্বে সরকারি সহায়তা দরকার। এছাড়া দেশে যে গুমের সংস্কৃতি ছিল তা মুছে ফেলে জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo