৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৫:২০

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাকেরগঞ্জে ২ শিক্ষক বরখাস্ত

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২২ সংবাদটি পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জালিয়াতির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ফান্ডের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক মো. নসরুল আমিন গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ এক আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্ত প্রদান করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফান্ডের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. মনিরুজ্জামান ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর বরিশালে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক নসরুল আমিন গাজীকে আসামি করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে সমন ইস্যু করেন।

মামলার বাদী, বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার বলেন, তিনি এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি এইচ এম সোহাগের স্বাক্ষর না নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও তার সহযোগী সহকারী শিক্ষক ব্যাংক থেকে কয়েক লক্ষ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ তাদের সাময়িক অব্যাহতি (বরখাস্ত) দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রুমানা আফরোজ বলেন, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিভাবক সদস্যের মামলায় আদালত প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান হাওলাদার ও সহকারী শিক্ষক নসরুল আমিন গাজীর বিরুদ্ধে সমন ইস্যু করেছেন। সরকারি কৌশুলীর প্রতিবেদন সাপেক্ষে তাদের দুইজনকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫ এর অনুচ্ছেদ-১৯ মোতাবেক বরখাস্ত (সাময়িক অব্যাহতি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান শিক্ষক নীলিমা আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান হাওলাদারকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি এইচ এম সোহাগ হাওলাদার জানান, প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম করে আসছিল। এমন কি আমার স্বাক্ষর জাল করেও সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার আদালতে একটি মামলা দায়ের করার পরে তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রুমানা আফরোজ সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo