১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ৯:৫৫

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের ধারণা বদলে দিয়েছে ‘ড্রীম লাইফ’

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ২৭৯ সংবাদটি পঠিত

মাইদুল হাসানঃ

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের কথা উঠতেই মারধর-নির্যাতন, কিংবা দীর্ঘ দিন আটকে রেখে অর্থ আদায়ের বিষয়টি সামনে চলে আসে। এছাড়া, পরিচয় জানাজানি হওয়ার ভয়েও মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবার সহজে নিরাময় কেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে চাননা।তবে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের এই গতানুগতিক ধারণা পাল্টে দিয়েছে সরকার অনুমোদিত ড্রীম লাইফ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরে অন্তত ৪০০ মাদকাসক্তকে সারিয়ে তুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছে এই মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি।আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে সেবা নিয়ে সুস্থ্য জীবনে ফিরে আসা ব্যক্তি ও তার পরিবার সন্তোস প্রকাশ করছেন। মাদক সেবীদের অপরাধী হিসেবে নয় বরং রোগী হিসেবে চিকিৎসা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে দৃঢ় প্রত্যয় ড্রীম লাইফের।বৃহৎ পরিরিসরে একসঙ্গে একাধিক জনকে চিকিৎসা দেওয়ার সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে তাদের, সেজন্য অবকাঠামোগত বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মনোমুগ্ধকর ও নান্দনিক পরিবেশে উন্নত ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে দক্ষিনাঞ্চলের সবচেয়ে অত্যাধুনিক মাদকাসক্তি নিরাময় ও মানষিক রোগ নিরাময় কেন্দ্র এটি।

ড্রীম লাইফের প্রতিষ্ঠিতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হাসান বাপ্পি।প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান বাপ্পি এবং পরিচালক আবদুল বারি’র পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনাতেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।

সম্প্রতি সরেজমিনে ড্রীম লাইফে গিয়ে দেখা যায়, মাদকসেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। রোগীদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নিজস্ব রান্না ঘরে তৈরি খাবার পরিবেশন থেকে শুরু করে রোগীদের শারীরিকভাবে ফিট রাখতে রয়েছে ব্যায়াম করার ব্যবস্থা। একই ভবনে নামাজ ও খেলাধুলার স্থান রয়েছে।এছাড়া সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা।নিজস্ব এম্বুলেন্স সার্ভিস।
বিশেষ করে পৃথক ভবনে নারী রোগীদের জন্য রয়েছে যাবতীয় চিকিৎসার সুব্যবস্থা।

ড্রীম লাইফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরুর কয়েক বছরের মধ্যেই শতাধিক জন মাদকাসক্তকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সুস্থ্য হওয়ার পর ঘরে ফিরে গেলেও প্রত্যেককে দীর্ঘ সময় ধরে ফ্রী ‘ফলোআপে’ রাখা হয়। এর ফলে ড্রীম লাইফে চিকিৎসা নেওয়া প্রত্যেকেরই স্বাভাবিক জীবন-যাপন করার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ভবনে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আবাসিক ব্যবস্থায় চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি ভবনটিতে রয়েছে জেনারেল বেড,কেবিন,বিশেষ কেবিন ও ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা। শুধু খেলাধুলাই নয়, রয়েছে নামাজের জন্য আলাদা কক্ষ, তালিম ও কুরআন শিক্ষার সুব্যবস্থাও।
ভবনের সামনে গড়ে তোলা হয়েছে সুসজ্জিত বাগান।যেখানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ছাড়াও নারী – পুরুষের জন্য আলাদা নার্স,বিশেষজ্ঞ সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট এবং অভিজ্ঞ অ্যাডিকশন কাউন্সেলরদের মাধ্যমে সেবা পাচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা।
ড্রীম লাইফের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে নাজমুল হাসান বাপ্পি বলেন, বরিশালে নিজেস্ব ভবনে বড় পরিসরে রিসোর্টের মতো একটি নিরাময় কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। যেখানে খেলার মাঠ, উমুক্ত জায়গা থাকবে।তিনি আরও বলেন,
মাদকাসক্তদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে সরকারের সবগুলো বিধিমালা মেনেই গড়ে তোলা হয়েছে স্বপ্নের ড্রীম লাইফ।

বিস্তারিত আসছে……..

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo