৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত ১:৩২

মির্জাগঞ্জে মে দিবসের শোভাযাত্রায় বিএনপির দুই পক্ষের ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় সড়ক অবরোধ

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫
  • ৪৮ সংবাদটি পঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মে দিবসের শোভাযাত্রায় বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীরা সুবিদখালী কলেজ রোড এলাকায় বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়ক অবরোধ করেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে উপজেলা শহরে মে দিবসের শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা পরিষদের সামনে পৌঁছালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন (নান্নু) সমর্থিত নেতা-কর্মী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজী সমর্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে ব্যানার টেনে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। পরে জাহাঙ্গীর আলম ফরাজী সমর্থিত শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীরা সুবিদখালী কলেজ রোড এলাকায় ফিরে বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় মো. সাহাবুদ্দিনের বিপক্ষে বিভিন্ন স্লোগানও দেওয়া হয়। সড়ক অবরোধ করায় যানজট তৈরি হয়। খবর পেয়ে এক ঘণ্টা পরে মির্জাগঞ্জ থানা-পুলিশ এসে নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজী বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মে দিবসের শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করি। শোভাযাত্রাটি উপজেলা পরিষদের সামনে গেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন নান্নু আমাদের ব্যানার টেনে ছিঁড়ে ফেলেন। এতে মে দিবসের শোভাযাত্রাটি পণ্ড হয়ে যায়।’এ বিষয়ে সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘মে দিবসের শোভাযাত্রায় উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজী থাকায় সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, পরে সব ঠিক হয়ে গেছে।’উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য মো. সোহেল মৃধা বলেন, ‘আমাদের শ্রমিক দলের শোভাযাত্রার ব্যানার উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন নান্নু টেনে ছিঁড়ে ফেলেছেন। মূল দলের মধ্যে গ্রুপিং থাকতে পারে, উপজেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো বিভেদ ছিল না।’মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম হাওলাদার বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা শুনেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। শ্রমিক দলের কিছু লোক সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সরিয়ে দিয়েছেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন ...

এই বিভাগের আরো খবর...
© All rights Reserved © 2025 Rising Barisal
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo