দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুর সদর উপজেলার গুয়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলী শেখের ছেলে মজিবর শেখ, কুমিরমারা গ্রামের মোখলেছ হাওলাদারের ছেলে ফোরকান হাওলাদার ও মরিচাল গ্রামের মৃত খালেক শেখের ছেলে মো. মাহাবুব।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা গ্রামের মৃত কাসেম হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদার ওই গ্রামের ফেরিঘাটে নিজ চায়ের দোকানে কাজ শেষে রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন।
এ সময় আসামিরা কুমিরমারার স্লুইচ গেট এলাকায় জামালের পথ রোধ করে ধারালো অস্ত্র ও রড দিয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে একটি ট্রলারে তুলে পিরোজপুরের হুলারহাট বাজারের খালের পাড়ে একটি গাছের সাথে ট্রলারটি বেঁধে রেখে পালিয়ে যায়। রাত ১টার দিকে ওই বাজারের নৈশপ্রহরী আনছার আুলী ট্রলারে জামালকে আহত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দিলে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল জামালের মুত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই কামাল হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত ও দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন বলেন, আদালত তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং বাকি পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট।